জাতীয় বাজেট প্রস্তাবনা ও উত্তরাঞ্চলে উন্নয়ন প্রসঙ্গে চারটি বিশেষ সুপারিশ
Loading...
Date
Authors
Journal Title
Journal ISSN
Volume Title
Publisher
দৈনিক ইনকিলাব
Abstract
১. কৃষি-ভিত্তিক শিল্পায়ন ও কোল্ড স্টোরেজ স্থাপন উত্তরাঞ্চল বাংলাদেশের 'শস্য ভাণ্ডার' হিসেবে পরিচিত। প্রতি বছর আলু, পেঁয়াজ ও আম মৌসুমে সংরক্ষণের অভাবে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হন।সুপারিশ: এই অঞ্চলে অধিক সংখ্যক বিশেষায়িত হিমাগার স্থাপন এবং কৃষি পণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ অঞ্চল গড়ে তোলার জন্য বিশেষ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য কমবে এবং কৃষকরা নায্যমূল্য পাবেন।২. গ্যাস সংযোগ সম্প্রসারণ ও জ্বালানি নিরাপত্তা শিল্পায়নের প্রধান বাধা হলো সাশ্রয়ী জ্বালানির অভাব। বগুড়া পর্যন্ত গ্যাস সংযোগ থাকলেও রংপুর ও নীলফামারী অঞ্চলে তা পৌঁছায়নি। সুপারিশ: অগ্রাধিকার ভিত্তিতে রংপুর ও সৈয়দপুর পর্যন্ত পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা। গ্যাস থাকলে এই অঞ্চলে টেক্সটাইল ও অন্যান্য ভারী শিল্প গড়ে উঠবে, যা স্থানীয় কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।৩. যোগাযোগ অবকাঠামো ও যমুনা নদীর তলদেশে টানেল বঙ্গবন্ধু সেতু দিয়ে চাপ সামলানো কঠিন হয়ে পড়ছে এবং প্রায়ই যানজটের সৃষ্টি হয়। সুপারিশ: যমুনা নদীর তলদেশ দিয়ে মাল্টি-লেন টানেল বা দ্বিতীয় একটি রেল সেতু নির্মাণের জন্য বাজেটে বড় অংকের বরাদ্দ রাখা। এছাড়া বুড়িমারী ও বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরের সাথে যোগাযোগের রাস্তাগুলো চার লেনে উন্নীত করা যাতে ভারতের সাথে আঞ্চলিক বাণিজ্য বৃদ্ধি পায়। ৪. বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ও ট্যাক্স হলিডে উত্তরাঞ্চলে দারিদ্র্যের হার তুলনামূলক বেশি। বিনিয়োগকারীদের এই অঞ্চলে আকৃষ্ট করা প্রয়োজন। সুপারিশ: উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে (যেমন: কুড়িগ্রাম বা গাইবান্ধা) বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল দ্রুত বাস্তবায়ন করা এবং সেখানে বিনিয়োগকারীদের জন্য অন্তত ১০ বছরের জন্য 'ট্যাক্স হলিডে' বা কর রেয়াতের সুবিধা প্রদান করা।
Description
Citation
এম. আজিজুর রহমান। (২০০৮, জুন ৩০)। জাতীয় বাজেট প্রস্তাবনা ও উত্তরাঞ্চলে উন্নয়ন প্রসঙ্গে চারটি বিশেষ সুপারিশ। দৈনিক ইনকিলাব ।
