UU Academic Repository

Photo by @inspiredimages
 

Communities in DSpace

Select a community to browse its collections.

Recent Submissions

Item
শিক্ষা কোন বাণিজ্যিক পণ্য নয় এটি মানুষ গড়ার উপকরণ
(অর্থবিত্ত, 2007-03-16) ইয়াসমীন আরা লেখা
১৬ মার্চ ২০০৭ তারিখে অর্থবৃত্ত (Orthobritto) এ প্রকাশিত এই সাক্ষাৎকারে শিক্ষাবিদ ইয়াসমীন আরা সমকালীন শিক্ষাব্যবস্থার বাণিজ্যিকীকরণ বিষয়ে তার উদ্বেগ ও সমালোচনামূলক দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। তার মতে, শিক্ষা কোনো বাজারজাত পণ্য নয়; বরং এটি মানুষের বুদ্ধিবিকাশ, নৈতিকতা, মানবিক চেতনা ও সামাজিক দায়িত্ববোধ গঠনের মৌলিক উপকরণ। তিনি যুক্তি দেন যে মুনাফাকেন্দ্রিক শিক্ষা কাঠামো সমাজে বৈষম্য বৃদ্ধি করে এবং শিক্ষার প্রকৃত মানবিক ও বৌদ্ধিক উদ্দেশ্যকে দুর্বল করে। সাক্ষাৎকারে তিনি মূল্যবোধভিত্তিক পাঠক্রম, শিক্ষক–শিক্ষার্থী সম্পর্কের নৈতিকতা এবং সবার জন্য সমানভাবে মানসম্মত শিক্ষার প্রাপ্যতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। অর্থবৃত্ত-এ প্রকাশিত এই দৃষ্টিভঙ্গিগুলো মানবিক, ন্যায়ভিত্তিক এবং সমতা-কেন্দ্রিক শিক্ষা সংস্কার বিষয়ে চলমান একাডেমিক আলোচনাকে সমৃদ্ধ করে।
Item
ছিনতাই নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভূমিকা
(দৈনিক যায়যায়দিন, 2012-02-13) ইয়াসমীন আরা লেখা
প্রবন্ধটি ছিনতাই নিয়ন্ত্রণ নিয়ে লেখা হয়েছে এবং এটি ইঙ্গিত করে যে রাজধানীতে ছিনতাই একটি ভয়াবহ সামাজিক ব্যাধিতে পরিণত হয়েছে । সাংবাদিক কাফি কামালসহ , পুলিশের এএসআই মিজান এবং এটিএন বাংলার সিনিয়র ক্যামেরাম্যান শফিকুল ইসলাম মিঠুর মতো ব্যক্তিরা ছিনতাইকারীদের হাতে প্রাণ হারিয়েছেন বা গুরুতর আহত হয়েছেন । এসব নৃশংস ঘটনার পরে পুলিশের ব্যাপক উদ্যোগ দেখা গেলেও তার ধারাবাহিকতা থাকেনি । একটি দৈনিকের তথ্যানুসারে , রাজধানীতে ৪৪১টি ছিনতাই স্পট রয়েছে, যা নিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)-এর পর্যবেক্ষণ ও পর্যালোচনা রিপোর্ট থাকলেও পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে না । অনেক সময় পুলিশ ছিনতাইয়ের মতো অপরাধকে ছোট করে দেখে বলে অভিযোগ রয়েছে । লেখক মনে করেন, ছিনতাই একটি গুরুতর অপরাধ যা সমাজের প্রায় সব শ্রেণির মানুষকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে । জনগণের জানমাল রক্ষার দায়িত্বে থাকা পুলিশকে এই অপরাধ দমনে জিরো টলারেন্স দেখাতে হবে । পুলিশের মহাপরিদর্শক ও ঢাকা মহানগর পুলিশের বর্তমান কমিশনারের মতো করিৎকর্মা কর্মকর্তাদের চেষ্টা ও নিয়মিত মনিটরিং-এর মাধ্যমে পরিস্থিতি শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনা সম্ভব বলে লেখক বিশ্বাস করেন । পরিশেষে, লেখক পুলিশ সদস্যদের প্রতি ছিনতাই বিরোধী বিপ্লব ঘটানোর আহ্বান জানিয়েছেন, যার অপেক্ষায় রয়েছে দেশের ভুক্তভোগী জনগণ ।
Item
উত্তরা ইউনিভার্সিটি ও বিইউএফটি প্রক্টরিয়াল টিমের বৈঠক অনুষ্ঠিত
(দৈনিক কালবেলা, 2025-11-06) দৈনিক কালবেলা
Uttara University‑র ক্যাম্পাসে বুধবার (৫ নভেম্বর) দুপুর পৌনে ২ টায় BUEFT‑র প্রক্টরিয়াল টিমের সঙ্গে হয় একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল দুই প্রতিষ্ঠান‑এর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদার করা এবং একটি নিরাপদ, শিক্ষার্থী‑বান্ধব ও শৃঙ্খলাবদ্ধ ক্যাম্পাস পরিবেশ গড়ে তোলার ভবিষ্যৎ উদ্যোগ ও কর্মকৌশল নির্ধারণ করা। অংশগ্রহণকারীরা ক্যাম্পাস মনিটরিং সিস্টেম, শিক্ষার্থী সম্পৃক্তকরণ পদ্ধতি এবং প্রো‑অ্যাকটিভ ডিসিপ্লিনারি ব্যবস্থাপনা নিয়ে অভিজ্ঞতা বিনিময় করেন। উভয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা এক‑মত হয়েছিলেন যে, এই ধরণের আন্তর্জাতিক‑স্তরের অংশীদারিত্ব তাদের একাডেমিক উৎকর্ষতা ও শিক্ষার্থীর সামগ্রিক কল্যাণের পথ সুগম করবে ।
Item
Aspects of applying consumer rights protection law
(Bangladesh Post, 2019-03-15) Eaysmin Ara Lekha
This article discusses the significance and application of the Consumer Rights Protection Act-2009 in Bangladesh. Given that the number of consumers is virtually the same as the total population (16.43 crore, plus pregnant women bringing the total to 16.58 crore) , consumer rights are inseparably connected to all people in the country. Many Bangladeshis with limited incomes are frequently cheated while buying quality products. Furthermore, factors like decreased supply, difficulties in processing imported goods, and the greediness of black marketers and hoarders lead to frightfully high product prices, which puts consumer rights at risk. Food adulteration is a particularly acute problem, violating the basic human right to food and contributing to serious health issues like cancer, according to WHO research.
Item
গড়ে তুলি স্বপ্নের বাংলাদেশ
(দৈনিক যায়যায়দিন, 2011-12-23) ইয়াসমীন আরা লেখা
প্রবন্ধটি বাংলাদেশের বিজয়ের ৪০ বছর পূর্তি উপলক্ষে লেখা হয়েছে এবং এর মূল প্রতিপাদ্য হলো 'গড়ে তুলি স্বপ্নের বাংলাদেশ' । ১৯৭১ সালের সশস্ত্র সংগ্রাম ও দীর্ঘ রাজনৈতিক লড়াইয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ স্বাধীন হয় । যদিও সাহিত্য, সাংবাদিকতা, শিল্পকলা এবং প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতি হয়েছে , তবুও ৪০ বছরেও আকাঙ্ক্ষিত অসাম্প্রদায়িক, গণতান্ত্রিক, অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হয়নি । এর জন্য শুধু রাজনীতিবিদরাই নন, জনগণকেও দায় নিতে হবে । রাজনৈতিক ব্যর্থতা, গণতন্ত্রের দীর্ঘ অনুপস্থিতি এবং হীনরাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে সব কিছু দেখার কারণে দেশ পিছিয়ে পড়ছে । লেখক, ড. ইয়াসমীন আরা লেখা , জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান-কে গভীর শ্রদ্ধায় স্মরণ করেছেন এবং ৩০ লাখ শহীদ, ২ লাখ সম্ভ্রমহারা মা-বোন এবং মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন । প্রবন্ধটি তরুণ প্রজন্মের প্রতি আহ্বান জানায় , যেন তারা জন এফ কেনেডি-র বিখ্যাত উক্তিটি ('দেশ তোমাকে কী দিয়েছে সেটি বড় কথা নয়, দেশকে তুমি কী দিতে পার সেটাই বড় কথা') হৃদয়ে ধারণ করে উন্নয়ন, ইতিহাস-ঐতিহ্য রক্ষা, মানবাধিকার সুরক্ষা, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য একটি নতুন বিপ্লব শুরু করে । এই বিপ্লবের মাধ্যমে ২০২১ সালে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে মাথা উঁচু করে দাঁড়ানো এক কল্যাণ রাষ্ট্র হিসেবে দেখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়েছে ।