সমাজ রূপান্তর ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় মুদ্রণ সংস্কৃতির প্রভাব

Loading...
Thumbnail Image

Journal Title

Journal ISSN

Volume Title

Publisher

বাংলা বিভাগ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি

Abstract

১৭৫৭ সালে বাংলায় উপনিবেশায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয় নবাব সিরাজউদ্দৌলার পরাজয়ের মধ্য দিয়ে। এরই ফলে সমাজের স্বাভাবিক ও চলমান স্বতস্ফূর্ত ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ বাধাপ্রাপ্ত হতে শুরু করে। শাসকদের অভিরুচিকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলা ও মনস্তাত্তি¡ক উপনিবেশ তৈরির লক্ষ্যে ঔপনিবেশিক কাঠামো আধিপত্য বিস্তার শুরু করে ভাষা ও সাহিত্যের উপর। আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে শাসকরা তাদের সুবিধার্থে প্রাতিষ্ঠানিক প্রক্রিয়ায় ভাষার পরিবর্তনমুখী নানা পদ্ধতি অবলম্বন করে। এই পরিবর্তন স্থায়ী ও সচিত্র রূপ দেওয়ার ক্ষেত্রে মুদ্রণ-যন্ত্রই সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হয়ে ওঠে। মুদ্রণ-যন্ত্রকে ব্যবহার করে ঔপনিবেশিক শাসকরা তখন ভাষার প্রমিতকরণের নাম দিয়ে একটি আদর্শ মান নির্ধারণ করতে চায়, যে ভাষা মূলত সংস্কৃত পÐিতদের দ্বারা তৈরি হওয়া সংস্কৃত শব্দ নির্ভর বাংলা ভাষা এবং যে ভাষার সাথে মৌখিক ভাষার পার্থক্য ছিল। পরবর্তীকালে তাদের এই কৃত্রিম ভাষা সর্বত্র প্রচলনের জন্য রাজনৈতিক ও আমলাতান্ত্রিক প্রচেষ্টা বাংলা ভাষার স্বাভাবিক বিকাশকে বাধাপ্রাপ্ত করে। ভাষিক এই পরিবর্তন বাংলার সমাজ পরিবর্তন ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায়ও নতুন ভাবনার জন্ম দেয়। এবং ভারতবর্ষের সমাজ রূপান্তর ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় মুদ্রণ-যন্ত্র, তথা ছাপাখানার আবির্ভাব একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করে। অর্থাৎ বর্তমান গবেষনায়, এই অঞ্চলে কীভাবে ভাষা, সাহিত্য ও চিন্তা একটি যন্ত্রকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে সেটার স্বরূপ অনুসন্ধান করা হয়েছে।

Description

Citation

খান, ম. র. (2024, December). সমাজ রূপান্তর ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় মুদ্রণ সংস্কৃতির প্রভাব. লেখনী: ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিষয়ক জার্নাল, 2. বাংলা বিভাগ, উত্তরা ইউনিভার্সিটি।

Collections

Endorsement

Review

Supplemented By

Referenced By