উত্তরা ইউনিভার্সিটি বিষয়ে সমকালে প্রকাশিত লেখায় বিভ্রান্তিকর তথ্য

Abstract

সমকাল পত্রিকার অনলাইন সংস্করণে গত ২৩ জানুয়ারি ‘বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিন্ন চাকরি নীতিমালা জরুরি’ শীর্ষক একটি লেখা প্রকাশিত হয়। লেখাটিতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন শেখ শহিদ নিত্রাজ। লেখাটির ষষ্ঠ প্যারায় উত্তরা ইউনিভার্সিটির নাম উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে শিক্ষকদের হয়রানির মতো একটি ঘটনা ঘটেছে এবং এ বিষয়ে ইউজিসি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। তবে প্রকৃত তথ্য হলো, উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে জুলাই-পরবর্তী সময়ে কোনো শিক্ষক, কর্মকর্তা বা কর্মচারীকে কোনো ধরনের হয়রানি করা হয়নি। এ বিষয়ে প্রকাশিত তথ্যের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস্তব পরিস্থিতির মিল নেই। বিভাগীয় শিক্ষকদের মধ্যে অফিসে আসন বণ্টনসংক্রান্ত একটি মতপার্থক্যের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলা বিভাগের একজন শিক্ষকের অভিযোগের ভিত্তিতে ইউজিসি থেকে একটি পর্যবেক্ষণ দল উত্তরা ইউনিভার্সিটিতে আসে। বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে পর্যবেক্ষণ দলটি সংশ্লিষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা ও অন্যান্য ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি পর্যালোচনা করে। পর্যবেক্ষণ শেষে ইউজিসির প্রতিনিধি দল কোনো শিক্ষককে হয়রানি করার ঘটনা কিংবা এ-সংক্রান্ত অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেনি। অর্থাৎ, আসন বণ্টনসংক্রান্ত একটি প্রশাসনিক মতপার্থক্যকে শিক্ষক হয়রানির ঘটনা হিসেবে উপস্থাপন করা প্রকৃত পরিস্থিতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। উত্তরা ইউনিভার্সিটি সবসময় শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের জন্য একটি নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও পেশাদার কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ মনে করে, কোনো প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে তথ্য প্রকাশের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের বক্তব্য ও প্রকৃত তথ্য যথাযথভাবে যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

Description

Citation

Uttara University. (2026). উত্তরা ইউনিভার্সিটি সম্পর্কে একটি বক্তব্য. Uttara University.

Endorsement

Review

Supplemented By

Referenced By